Friday, October 1, 2010
আমি আসব
রা. আ. হিরা
তুমি আমায় ডেকে দেখ
আমি আসব
তোমার ডাকে সাড়া দিতে
তুমি আমাকে ভালবাসা দাও
আমি আসব
তোমার ভালবাসায় সাড়া দিতে
তুমি আমায় ডেকেই দেখ
আমি আসব
তোমার দু:খের সাথী হতে
তুমি আমায় ডেকে দেখ
আমি আসব
তোমার ভালবাসায় পরন্ত বিকেল হতে
তুমি আমাকে নাম ধরে
একবার ডেকেই দেখ
আমি আসব
তোমার চোখে আমাকে দেখতে
অতীতের সব দু:খ মুছে দিতে
সব হতাশার গ্লানি মুছে দিতে
তোমার ভালবাসার উষ্ঞ পরশ নিতে
আমি আসব
আকাশ হতে এক মুঠো নীল নিয়ে
তোমায় রাঙাবো বলে
সূর্যের রক্তিম আভায়
তোমার জীবন আলোকিত করবো বলে
আমায় আরেক বার ডেকে দেখ!!
Thursday, July 29, 2010
আত্মা
আত্মা নিতান্তই আকস্মিকভাবে দেহের সঙ্গে যুক্ত হয়।প্রত্যেক দেহ বিশ্ব-আত্মা থেকে তার আত্মা পেয়ে থাকে। বিশ্ব-আত্মা থেকে নি:সৃত হয়ে আত্মাকে প্রাথমিকভাবে দেহে অবস্থান করতে হয়। দেহে অবস্থানকালে আত্মা ক্রমবর্ধমানভাবে নিজেকে এক স্বতন্ত্রসত্তা হিসেবে বিকশিত করে। সুতরা: আত্মা পবিত্র রাখা প্রত্যেক মানুষের কর্তব্য। তাই নি:চুপ আত্মাকে সতেজ করতে হবে। তবেই ভাল কাজ করার শক্তি পাবে।
Saturday, November 21, 2009
মালা গাঁথা
আমি আজ মালা গাঁথতে বসেছি
যতবার গেথেছি মালা পড়েছে খসে,
জানি না কি কারণে কোন বা দোষে
তুমি শুধু অপলক নয়নে আমার সামনে বসে
দেখেছ আমাকে,
আমারই নয়নে নয়ন রেখে কি যে করেছ আমায়।
আমার মালা খসে পড়ল সেই দোষে কি তাই
দু হাত ধরে শপথ নিয়ে হাত বাড়ালে আমার দিকে।
মন যে আমার আকুল হল তোমারই দৃষ্টি দোষে
আজ আমি গান শুনাব তোমায় কথাই নাহি ফোটে মুখে
কন্ঠ আমার গিয়েছে জমে বরফ জমার ফাকে,
মধুর হাসি খেলা করে তোমার দুষ্টু চোখের আড়ালে।
বল, আমায় কি করলে তুমি মধুর হাসি হেসে
আমার কন্ঠ কেন রুদ্ধ হল কথা কেনই বা মুখে রইল
বুঝি না আমি জানি না আমি শুধু জানি তুমি
কি করলে আমায় কি করলে তুমি
বন্ধ হল মালা গাথা সেই দিনকার মত
রেখে দিলাম মালা গাথা কন্ঠে পড়ল তালা
তুমি বললে ওগো প্রিয়া বিদায়ের এখন পালা।
কষ্ট
র. আ. হিরা
কষ্টের একপ্রান্তের তুমি আর অন্য প্রান্তে আমি
বেদনা রাঙানো ভালোবাসা মাঝে মধ্যে দেয় হাতছানি
অভিমানের একপ্রান্তের তুমি আর অন্য প্রান্তে আমি
তাইতো দু জনের মধ্যে ব্যবধান অনেকখানি।
বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা জানি না কিভাবে হয়
তখনোও আমি বুঝিনি ভালোবাসা কারে কয়
যেদিন তুমি বলেছ ভালোবাস আমায়
সেদিন ও আমি বুঝিনি কি হল যে আমার
নিজের সুখ কখনো ও চাইনি তোমার সুখে আঁড়ালে
তোমার সুখে ,সুখ খুঁজে নিয়েছি আমি কষ্টকে ভুলে গিয়ে।
ভালোবেসে যাব আমি যতদিন ভালোবাসা থাকে
দেখব তুমি, আমার ভালোবাসা সব ভালোবাসার উপরে।
Monday, November 16, 2009
শুভ ভালোবাসা
শুভ ভালোবাসা
র. আ. হিরা
অপেক্ষাতে বসেছিলাম অনেকক্ষণ
ভেবেছিলাম তুমি হয়তো বা আমাকে দেবে ফোন
কারণটা ছিল এক বছর পূর্ণ হল ভালবাসার বাঁধন
ঠিক এই দিনে হাতে হাত রেখে বলেছিলে
সন্দেহ কি হয়, আমি শুধু তোমার অন্য কারো নই।
বিশ্বাস হয়নি তখন আমার তা ভ্রু কুঁচকে বলেছি সে কথা
আজ আমি তোমায় দিবনা কোন ফোন দেখি তুমি
কতদূর যেতে পার ছেড়ে আমার এই বাঁধন
অচেনা পথ পাড়ি দিয়ে যেদিন করেছিলে দেখা
হাত ধরে দিয়েছিলে কথা যাবে না আমায় ছেড়ে
শত বিপদ হলে ও যদি আমি থাকি একা
ভাবতেই অবাক লাগে ভুলে গেলে সেইদিনে সেই কথা।
একবার ফোন করে বলে দেও শুভ ভালোবাসা।
Sunday, November 15, 2009
তোমার কতখানি
তোমার কতখানি
রাইমা আ. হিরা
তাকিয়ে দেখ আকাশের দিকে
কত বিশাল তার দেহখানি,
তাকিয়ে দেখ সমুদ্রের দিকে
বিশাল তার জলরাশি
তাকিয়ে দেখ নিজের দিকে
পড়বে মনে তখনি
আমি ছিলাম তোমার কতখানি।
Wednesday, March 25, 2009
২৬ শে মার্চ
Monday, January 19, 2009
স্বপ্ন সমুদ্র
আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম , বলতো তুমি প্রতিদিন সকালে ওঠ আবার সন্ধ্যায় অস্তমিত হয়। আসলে তুমি কোথায় যাও….হেসে সূর্য আমাকে বলল আমার যেখানে শুরু সেখানেই আমার শেষ। আমি এর উত্তর বুঝলাম না।
আস্তে আস্তে দেখলাম সূর্যটা খুব বড় হতে লাগলো্ ।
বড় হতে হতে ,আমার সাথে কথা বলতে বলতে, আমার সামনে থেকে অনেক দূরে যেতে লাগলো এর মধ্যে সে ছোট হতে লাগল ।আমি বললাম যেও না ,আমাকে ছেড়ে যেও না, সূর্য তখন উত্তর দিল, যাচ্ছি না.. এই তো আমি তোমার কাছাকাছি । তাহলে তোমার সাথে আমার এত দূরত্ব কেন।আগের মত আমার কাছে এসো না । আসব!তবে তোমার মত আমার আরও অনেক বন্ধু আছে তাদের সাথেও যে আমাকে দেখা করতে হবে।আমি তো আছি , কিন্তু অনেক দূরে, আগের মত কাছাকাছি না তো! আসি বন্ধু বলে আস্তে আস্তে সূর্য আমায় ছেড়ে দূরে যেতে লাগল। আমি কিন্তু তোমার সাথে কথা বলা ছাড়া বাড়ি যাব না।আমি বসে থেকে সমুদ্রের সাথে কথা বলতে লাগলাম। সূর্য চলে যাবার পর আমি আর সমুদ্র খেলা করতে লাগলাম।আস্তে আস্তে আমি সমুদ্রের নামতে লাগলাম । সমুদ্রের ঢেউ এর সাথে খেলা করতে লাগলাম।শামুক , ঝিনুক , বালি, গাছপালা ,ছোট ছোট কীট-পতঙ্গ আর অজানা সব প্রাণীর সাথে কথা বলতে ও খেলা করা শুরু করলাম। তারা সবাই আমার সবচেয়ে ভাল বন্ধু হয়ে গেল। সমুদ্রের ঢেউ এসে আমার সাথে মজা করতে লাগল।আচ্ছা সমুদ্র তুমি এত বিশাল অথচ তোমার কোন অহংকার নেই।আর আমরা কত না বিচিত্র আমাদের মাঝে হিংসা ,অহমবোধ , হানাহানি, মারামারি, ভেদাভেদ আরোও কতকিছু। কিন্তু তোমাকে দেখলে আমার অনেক ভালে লাগে।জান সমুদ্র আমার না কেউ নেই। যে আমার মত করে আমাকে ভালবাসবে। তারা সবাই খুব ব্যস্ত থাকে নিজেকে নিয়ে। তারা কখনও আমার কথা ভাবে না । বাবা থাকেন নিজের ব্যবসা নিয়ে আর মা থাকেন তার মিটিং জনসভা আর বিউটি পার্লার নিয়ে। আমাকে সারাক্ষণ একা বাসায় থাকতে হয়। তারজন্যই আজ আমি চুরি করে বাসা থেকে পালিয়ে এসে তোমার কাছে আশ্রয় নিয়েছি।কথা বলতে বলতে এক সময় আমার দু’চোখ গড়িয়ে জল বের হয়ে এল । আর তখন সমুদ্র তার সবটুকু সৌন্দর্য দিয়ে আমার কাছে হাত বাড়ালো। এমন সময় আকাশ তার সৌন্দর্যের সবটুকু নীল ছড়িয়ে সমুদ্রের গায়ে মাখিয়ে দিল । ঠিক তখনই আমার মনে হল আকাশ যেন আমার কথা ভেবে তার নীল দিয়ে সমগ্র আকাশকে ঢেকে দিল । সমুদ্র আকাশের নীলগুলোকে খুব যত্নসহকারে তার ঢেউয়ের ভাজে ভাজে ছড়িয়ে দিল। আকাশের মত বিশাল আকৃতির ঢেউগুলো আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে অনেক দূর।বিশাল সমুদ্রের সামনে আমাকে মনে হয় বালুর একবিন্দু ক্ষুদ্র কণা। মানুষের মনে বিশালতা বলে কিছু নেই আমার ঠিক তখনই মনে হল। এভাবেই আমার সারাটাদিন কাটল। আমি এখন সমুদের সাথে কথা বলা শেষ করলাম। ঠিক তখনই আমার সূর্যের কথা মনে হল । সূর্য তুমি কোথায়? আমি এখন বাসায় যাব। দয়া করে একটু কাছে আস না । সূর্য হেসে উত্তর দিল এই তো আসছি... পশ্চিম আকাশে লাল আভা ছড়িয়ে দি্য়ে সূর্য আবার আমার কাছে চলে এল । সূর্য আমি এখন বাসায় যাব। আচ্ছা তবে বিদায়। তারপর আমি সমুদ্রের সাথে কথা বলতে শুরু করলাম ... সমুদ্র আজ আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ হলাম । আমি যদি প্রতিদিন তোমার কাছে এভাবে আসতে পারতাম। তাহলে কি মজাই না হত । সমুদ্র বলল.. প্রতিদিন আসলে আমার প্রতি তোমাদের ভালবাসা কমে যেত।যাও আজকের মত বাড়ি ফিরে যাও । আবার হয় তো তোমার সাথে দেখা হবে। আমি বললাম না আমি বাড়ি যাব না !আর এর মধ্যেই মা খুকু বলে আমাকে জাগালেন । সমুদ্র দেখা আমার হল তবে তা স্বপ্নের মধ্যে সামনা সামনি না । জানিনা কখনও একাকী সমুদ্র দেখতে পারব কিনা । তবুও আমার মনে হয় আমি সমুদ্রকে দেখব আমার মত করে ।
আসলে চুরি করা বলতে আমরা সারাদিন যা ভাবি রাতে তা স্বপ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করি ।আর একা থাকলে যে কেউ ঐ রকম ভাবতেই পারে। এটাই স্বাভাবিক। আর তা হচ্ছে স্বপ্ন সমুদ্র।
Monday, January 5, 2009
চরিত্র ও আচরণ
Saturday, January 3, 2009
অমর আত্মা

Thursday, January 1, 2009
শুভ নববর্ষ

তাই বধু রাখ তোমার হাতের যত কাজ,
নতুন দিনকে বরণ করে নিও বধু তোমার করে
শুনছ না কি তোমার গৃহদ্বারে,
ঘরের শিকলটি কে নাড়ে এমন শিশির ভেজা ভোরে।
দেখ বধু ঘরের দ্বার খুলে,
বরণ করে নিও বধু তার হাত দুটো ধরে।
নিও বধু মাথার ঘোমটা টেনে,
শীতের কুয়াশা ভেজা ভোরে চিনবে কি তারে
যদি সে আসে অচেনা সুরের মত করে।
নতুন আশার আলো সঞ্চার করে,
বরণ করো তাকে মিষ্টি হাসি দিয়ে;
নতুন দিনকে নতুন ভালবাসা দিয়ে।
স্বাগতম নতুন বছর ২০০৯ । এসো নতুন স্বপ্ন ,নতুন সম্ভাবনা নিয়ে। নতুন কিছু সৃষ্টির সুখে ,নতুন উল্লাসে ।আবেগের তরঙ্গে ভেসে নতুন আবেগ সৃষ্টির সুখে। ভালবাসার আশার সঞ্চার করে, নব দিগন্ত উন্মোচন করে। এসো হে নতুন বছর ডিজিট্যাল বাংলাদেশে। সবার মাঝে ডিজিট্যাল সুখে দুখে পাশে থাকবার হয়ে। এসো আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশে শীতের শিশির ভেজা সকালে হাসির প্রদীপ হাতে নিয়ে এই দেশের প্রতিটি ঘরে।
Friday, October 31, 2008
বসন্ত

এসেছে বসন্ত,
রঙে রঙে ভরে যায় আমার স্বদেশ
সবার কন্ঠে ছড়ায় সেই সুরের আবেশ।
পুষ্পের বাগানে চলে বিপুল সমারোহের সাজ;
বাসন্তী দিয়ে গেল ব্যাকুল বসন্তের সুরভী আজ,
কোকিল ছড়িয়ে দিয়ে গেল তার সুরের মুর্ছনার আমেজ।
ছন্দে ছন্দে দোলে মন-নাচে অন্তর,
আনন্দ ছড়িয়ে গেল সারা দেশের পথ-প্রান্তর।
আনন্দের ঝর্ণাধারা বয়ে যাক সবার জীবনে,
বসন্ত নামুক বাসন্তীর সুবাস ভরা মানুষের কল্যাণে।
Monday, October 20, 2008
বৈশাখের শুভেচ্ছা
মিষ্টি দোলা দিয়ে বলে গেল।
বৈশাখ এলো বলে।।
তোমরা সবাই সাজ নতুন করে
ভালবাসার রঙে মাধুরী মিশিয়ে
সব দুঃখ ভুলে গিয়ে
আজ এই বৈশাখী উৎসবে।
এসো গাই গান ,করি নৃত্য
আঁকি ভালবাসার বৃত্ত।
শোন বৈশাখ এলো বলে।
সাদা আর লাল রঙের শাড়ি পরে
ঐ দেখ লালন কন্যারা নৃত্য করে
খোপায় ফুলের মালা পরে,
গালে আঁকে আল্পনা
গায় গান হেলে দুলে
করে বৈশাখকে আমন্ত্রণ,
বলে গান,
“এসো হে বৈশাখ, এসো....এসো” ।
ধুয়ে মুছে দিয়ে যাও সব অশান্তি
শান্ত কর এই পৃথিবীকে অশান্তির হাত হতে
ভালবাসার বন্ধনে বাঁধা হোক সবার জীবন
এই বৈশাখের শুভেচ্ছান্তে ।
.....................০............................
উনসত্তরের বৃদ্ধ
আমার দেখা উনসত্তরের এক বৃদ্ধ
মাথায় তার সাদা চুল ভ্রু গুলো সাদা,
দাঁড়ি তার আরো ও সাদা মুখে বলি-রেখা।
চোখে দেখে না ভালো কি জানি কি ভাবে,
সারাক্ষণ অন্য মনস্ক হয়তো বা সেই কারণে।
আর কত বাঁচবো আমি সুন্দর এই ধরাতে,
পরিবারের সবাই তার দেখা শুনা করে;
একটু উনিশ বিশ হলেই বকাঝকা করে।
আমার দেখা উনসত্তরের এক বৃদ্ধ,
ছেলে মেয়ের মধ্য মণি ছিল যে বাবা;
আজ তার একোন দশা যায় না তো ভাবা।
বাবা যখন অফিস থেকে বাসার মধ্যে আসতো,
দৌড়ে এসে সবাই তার হাত খানা ধরতো।
খোকা-খুকু বলে যখন বাবা কাছে ডাকতো,
ছুটে এসে তারা তখন বাবার বুকে পড়ত।
আজ বাবা উনসত্তরের এক বৃদ্ধ…
যত ডাকে কাছে ,তারা দূরে সরে থাকে
এই যদি হয় পরিণতি ছেলে-মেয়ের কাছে ,
মনের দুঃখে বাবা তাই বৃদ্ধা আশ্রম খুঁজে।
...............................০..........................

